এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে তার নির্বাচনি হলফনামায় ঘোষিত আয় ও সম্পদ নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এই প্রচারণা সত্য উদঘাটনের চেয়ে একজন স্বচ্ছ রাজনীতিবিদকে সন্দেহের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর রাজনৈতিক প্রয়াস। তিনি ব্যাখ্যা করেন, হলফনামায় উল্লেখিত ১৬ লক্ষ টাকার বাৎসরিক আয় ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের মোট আয়, যার মধ্যে সাত মাস তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে রাষ্ট্রীয় বেতন পেয়েছেন এবং পরবর্তীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরামর্শক হিসেবে বৈধ আয় করেছেন। নাহিদ ইসলাম জানান, তার মোট সম্পদ ৩২ লক্ষ টাকা, যা ২৭ বছরের সঞ্চয়, উপহার ও বৈধ আয়ের সমষ্টি। তিনি বলেন, তার কোনো জমি, ফ্ল্যাট বা গাড়ি নেই এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট মাত্র দুটি—সবই হলফনামায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। পেশা সংক্রান্ত বিভ্রান্তিও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন, জানিয়ে দেন যে তিনি বর্তমানে একটি টেক ফার্মে পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন। তার দাবি, তার আয় ও সম্পদের প্রতিটি তথ্য আয়কর রিটার্ন ও আইনি নথির মাধ্যমে যাচাইযোগ্য, এবং এই অপপ্রচার মূলত তার স্বচ্ছ রাজনৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রচেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, বাংলাদেশ যাতে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থায় আর ফিরে না যায়, সে জন্যই এবারের গণভোটের আয়োজন। বুধবার কৃষি বিভাগের ১৭ হাজার কর্মকর্তা ও মাঠকর্মীর অংশগ্রহণে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বা দশ বছরে এমন সুযোগ আর নাও আসতে পারে, তাই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ কেমন হবে তা নির্ধারণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। গণভোট-সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচারের মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে আলী রীয়াজ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ও বিগত ১৬ বছরের সংগ্রামে প্রাণ দেওয়া মানুষের ত্যাগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান, গণভোটকে সহজ ভাষায় জনগণের কাছে তুলে ধরতে এবং হ্যাঁ-না ভোট হিসেবে উপস্থাপন করতে। বিশেষ অতিথি মনির হায়দার বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে হবে। কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, গণভোট বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ব্যানার, লিফলেট, মোবাইল ভ্যান, আঞ্চলিক রেডিও প্রচার ও ২৪ ঘণ্টার হটলাইন চালু থাকবে। সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান।
আট বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫৭ হাজার ৮৫৫ টন হলুদ ভুট্টার একটি বড় চালান বাংলাদেশে পৌঁছেছে। বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরের কনফিডেন্স সিমেন্ট ঘাটে আনুষ্ঠানিকভাবে খালাস কার্যক্রম শুরু হয়। ‘এমভি বেলটোকিও’ নামের জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ভ্যাংকুভার বন্দর থেকে যাত্রা করে গত ৩১ ডিসেম্বর বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে। ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। নর্থ ডাকোটা, সাউথ ডাকোটা ও মিনেসোটায় উৎপাদিত এ ভুট্টা নাহার অ্যাগ্রো গ্রুপ, প্যারাগন গ্রুপ ও নারিশ পোলট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি লিমিটেড যৌথভাবে আমদানি করেছে। আমদানিকারকদের তথ্যমতে, চালানটি বাংলাদেশে পৌঁছতে প্রায় ৪৬ দিন সময় লেগেছে। প্রতি টন ভুট্টার আমদানি মূল্য ২৪৬ ডলার এবং বন্দরে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতি কেজির সম্ভাব্য খরচ ৩৪ টাকা, যা ব্রাজিল থেকে আনা সাম্প্রতিক চালানের তুলনায় কম। নাহার অ্যাগ্রো গ্রুপের চেয়ারম্যান রাকিবুর রহমান বলেন, দেশের মোট চাহিদার মাত্র ৩০ শতাংশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়, বাকি অংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হয়। মার্কিন ভুট্টা মানের দিক থেকে নির্ভরযোগ্য এবং পশুখাদ্যের গুণগত মান উন্নয়নে সহায়ক হবে। মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, এ চালান শুধু বাণিজ্যিক লেনদেন নয়, বরং কৃষি ও খাদ্য খাতে দুই দেশের সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত হলে পশুখাদ্য শিল্পে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন আরও স্থিতিশীল হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইইউ ও বাংলাদেশের মধ্যে সমন্বিত অংশীদারত্ব চুক্তি (পিসিএ) নিয়ে আলোচনা শিগগিরই চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছবে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ইউরোপীয় এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি এ তথ্য জানান। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়গুলো আলোচনায় আসে। পাম্পালোনি বলেন, ২০ বছর সাধারণ অংশীদারত্ব চুক্তির আওতায় সম্পর্ক পরিচালনার পর ২০২৪ সালের নভেম্বরে পিসিএ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তিনি ড. ইউনূসের সংস্কারমূলক পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং জানান, ইইউ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে এসব সংস্কারকে গুরুত্ব দেয়। ইইউ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে একটি উচ্চপর্যায়ের মিশন পাঠাবে, যার প্রধান চলতি সপ্তাহেই ঢাকায় পৌঁছাবেন। ড. ইউনূস বলেন, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সরকার অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বুধবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থান নেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটের সামনে সারিবদ্ধভাবে চেয়ার পেতে বসে থাকতে দেখা যায় পুলিশ সদস্যদের, যারা ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অবস্থান নেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি আনসার, বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট সদস্যরাও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। শিক্ষার্থী ও বহিরাগতদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই ব্যবস্থা নেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতেই এই সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শিবিরের ভিপি, জিএস ও এজিএস প্রার্থীরা বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে এগিয়ে আছেন এবং ২৬টি কেন্দ্রে শিবিরের ভিপি প্রার্থী ৩৫১ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। শিক্ষার্থীরা এলইডি স্ক্রিনে ফলাফল দেখতে ক্যাম্পাসে ভিড় করেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন আশা প্রকাশ করেছেন যে তারেক রহমান বাংলাদেশের পরবর্তী নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হবেন এবং দেশ ও জনগণের নেতৃত্ব দেবেন। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির জানান, বুধবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ তথ্য জানান। বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, উপদেষ্টা মাহাদী আমিন ও প্রেস সচিব সালেহ শিবলী উপস্থিত ছিলেন। এটি ছিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের প্রথম সাক্ষাৎ। হুমায়ুন কবির বলেন, বৈঠকটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যমূলক পরিবেশে হয়েছে এবং চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী দেশ। বৈঠকে তারেক রহমান বিএনপির ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা ও দেশ গঠনের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করেন। উভয় পক্ষ বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়েও কথা বলেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন এবং চীনের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পাঠানো শোকবার্তা পৌঁছে দেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকে শুরু করবেন। তিনি সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করবেন। বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, প্রতীক বরাদ্দের পরদিনই তিনি সিলেটে যাবেন, যা হবে দীর্ঘ ১৯ বছর পর তার প্রথম সিলেট সফর। দলের প্রথা অনুযায়ী, মাজার জিয়ারত শেষে জনসভা করে প্রচার শুরু করবেন তিনি। বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী জানান, জনসভা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে এবং সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করা হচ্ছে। সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সব ঠিক থাকলে তারেক রহমান মাজার জিয়ারতের পর জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। এর আগে, ৪ জানুয়ারি সিলেট সফরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, দলের পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করবেন। এর আগে ১১ জানুয়ারি থেকে তিনি চার জেলায় সফর শুরু করবেন, যা ১৪ জানুয়ারি বগুড়ায় শেষ হবে। তবে নির্বাচনি আচরণবিধির কারণে ওই সফরে তিনি প্রচারে অংশ নেবেন না, বরং শহীদদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেছেন, গণভোট প্রশ্নে একটি রাজনৈতিক পক্ষ ভারতীয় মাফিয়া গোষ্ঠীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি পদযাত্রায় তিনি এ মন্তব্য করেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জনগণ স্বাধীন কমিশনের অধীনে নির্বাচন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চায়। তিনি দাবি করেন, ২০০৯ সাল থেকে বিএনপি-জামায়াত জোটের নেতা-কর্মীদের গুম, হত্যা ও নির্যাতনের পর কিছু রাজনৈতিক দল ভারতীয় প্রভাবের অধীনে কাজ করছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু মিডিয়া ও করপোরেট গোষ্ঠী জাতীয় স্বার্থবিরোধী পক্ষকে সমর্থন দিচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন দুটি পক্ষ—একটি গোলামির, অন্যটি স্বাধীনতার। পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি অতীত নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জামায়াত ও এনসিপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং সভাপতিত্ব করেন ফতেহাবাদ গ্রামের ওয়ালি উল্লাহ সরকার।
আমদানি শুল্ক কমানোর পরও বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের দাম বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালুর পর সরকারি নিবন্ধিত মোবাইল ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে একটি মাফিয়া সিন্ডিকেট কাজ করেছে। ১ জানুয়ারি থেকে মডেলভেদে প্রতি হ্যান্ডসেটে ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। গ্রাহকরা বলছেন, এনইআইআর বিতর্কে গ্রে মার্কেটের দোকান বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়েছে অফিসিয়াল ব্র্যান্ডগুলো। রেডমি, ভিভো, ইনফিনিক্স, রিয়েলমি, ওয়ান প্লাস ও স্যামসাং গ্যালাক্সি বিভিন্ন মডেলের দাম বাড়িয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ভিভো ‘ওয়াই২১ডি (৮/১২৮)’ মডেলের দাম ২১ হাজার থেকে ২৩ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে এবং ইনফিনিক্স ‘স্মার্ট ১০ (৪/৬৪)’ মডেলের দাম ১ হাজার টাকা বেড়ে ১২ হাজার হয়েছে। ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, মেমোরির দাম বাড়ার কারণে মোবাইলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এমআইওবি) সভাপতি জাকারিয়া শহীদ বলেছেন, শুল্ক কমানোর বিষয়টিতে ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ রয়েছে।
কুমিল্লার মুরাদনগরে বুধবার সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে ঝাড়ু মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মন্তব্যটি বিএনপির কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের প্রার্থী ও সাবেক পাঁচবারের সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের বিরুদ্ধে করা হয়েছিল। মুরাদনগর উপজেলা সদরের বিএনপি কার্যালয় থেকে সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে মিছিলটি বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আল্লাহ চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, আসিফ মাহমুদ নিজের দুর্নীতি ও অপকর্ম আড়াল করতে কায়কোবাদকে নিয়ে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। তারা বলেন, কায়কোবাদ একজন জনপ্রিয় ও পরীক্ষিত নেতা, তাকে হেয় করার জন্য পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন, কায়কোবাদকে নিয়ে নতুন কোনো ষড়যন্ত্র হলে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, কিছু ফেসবুক পেজ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে পরিকল্পিতভাবে কায়কোবাদকে নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
রুশ-ইউক্রেনীয় যুদ্ধ রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শুরু হয় ২০১৪ সালে যা এখনো চলমান। ২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া ও দনবাসের কিছু অংশকে কেন্দ্র করে শুরু হয় এবং রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করে নেয়। পুনরায় ২০২২ সালে ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু করে রাশিয়া যা এখনো চলছে।